Dhaka university Bangladesh

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকালে ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় (Dhaka university Bangladesh) প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের সরকার।বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল কি এই বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিশ্রুতি দেবার মাত্র তিন দিন পূর্বে ভাইসরয় এর সাথে সাক্ষাৎ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আবেদন জানিয়ে ছিলেন ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, ও নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, বাংলার বাঘ শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। ১৯১২ সালের ২৭ মে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রস্তাব করেন নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, ডব্লিউ.এ.টি. আচির্বল্ড, শামসুল উলামা আবু নসর মুহম্মদ ওয়াহেদ, নওয়াব সিরাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, এইচ. এইচ. আর. জেমস, সি.ডব্লিউ. পিক, আনন্দচন্দ্র রায়, সতীশচন্দ্র আচার্য, ললিত মোহন চট্টোপাধ্যায় আরো বিখ্যাত ব্যক্তি বর্গ। ১৯১৩ সালে নাথান কমিটির ইতিবাচক রিপোর্ট ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত হয়। রমনা অঞ্চলে ৪৫০ একর জায়গায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব দেয়া হয় । ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নানা প্রতিকূলতার মুখে পড়ে। ১৯২০ সালের ১৩ মার্চ ভারতীয় আইন সভা পাশ করে ‘দি ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট (অ্যাক্ট নং-১৩)। ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে। ১৯১৭ হতে ১৯২২ সাল পর্যন্ত লর্ড রোনাল্ডসে বাংলার গভর্নর থাকা কালে নবাব সৈয়দ শামসুল হুদা কে বিশ্ববিদ্যালয়ের আজীবন সদস্য ঘোষণা করেন। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বার উন্মুক্ত হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই Dhaka University দিনটি প্রতিবছর “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস” হিসেবে পালন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২টি বিভাগ ও তিনটি অনুষদ যাত্রা শুরু হয়। এই সমায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কে ঢাকা কলেজ ও জগন্নাথ কলেজের সহযোগিতা করেন। প্রথম মাত্র ৬০ জন শিক্ষক ৮৭৭ জন ছাত্রছাত্রীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্র শুরু করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লীলা নাগ প্রথম ছাত্রী। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, এফ.সি. টার্নার, হরিদাস ভট্টাচার্য, জি.এইচ. ল্যাংলি, রমেশচন্দ্র মজুমদার, জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ প্রমুখ, নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, ডব্লিউ.এ.জেনকিন্স, এ. এফ. রাহমান প্রতিষ্ঠালগ্নে শিক্ষক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন গৌরবময় ভূমিকা পালন করেন। বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দানের জন্য যে সংগ্রাম সূচিত হয় তার সাথে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সুগভীর সম্পর্ক রয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে গৌরবময় ভূমিকা পালন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা চেতনার প্রানকেন্দ্র।এশিয়ার ৫০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান পাওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১২৭তম, যা ২০১৭ ও ২০১৮ সালের র‌্যাঙ্কিং থেকে আরো ১৮ ধাপ পিছিয়েছে এ দুই বছরে। কিউএস র‌্যাংকিংয়ে ২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ছিল ১২৪তম আর ২০১৭ সালে ছিল ১০৯তম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রানকেন্দ্র।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল সমূহ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রীকে কোনো না কোনো হলের সাথে আবাসিক ও অনাবাসিক ছাত্র-ছাত্রী হিসেবে যুক্ত থাকতে হয়। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের জন্য ১৪ টি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য ৫ টি আবাসিক হল । চারুকলা অনুষদ ও ব্যবসায় প্রশাসন ইন্সটিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রয়েছে আলাদা হোস্টেল। বিদেশী ছাত্রদের জন্য আন্তর্জাতিক ছাত্রাবাস।

১.সলিমুল্লাহ মুসলিম হল।
২.শহিদুল্লাহ হল।
৩.জগন্নাথ হল।
৪.ফজলুল হক মুসলিম হল।
৫.শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল।
৬.রোকেয়া হল।
৭.মাস্টার দা সূর্যসেন হল।
৮.হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল।
৯.শামসুন নাহার হল।
১০.কবি জসীম উদ্দীন হল।
১১.মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল।
১৩.জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল।
১৪.বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল।
১৫.স্যার পি জে হার্টগ ইন্টারন্যাশনাল হল।
১৬.বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল।
১৭.অমর একুশে হল।
১৮.কবি সুফিয়া কামাল হল।
১৮.বিজয় একাত্তর হল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল সংগঠন সমূহ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার পর অনেক রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গড়ে ওঠ। Dhaka University ও বাংলাদেশের অনেক আন্দলোন সংগ্রাম এ গৌরবময় ভূমিকা পালন করেন ।

বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনগুলো হল:

১.বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,
২.বাংলাদেশ ছাত্রলীগ(জাসদ),
৩.বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন,
৪.বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন,
৫.বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা,
৬.বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ,
৭.ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন,
৮.সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট,
৯.জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল,
১০.বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী ইত্যাদি।

উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক সংগঠন হল:

১.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ,
২.চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র,
৩.বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী,
৪.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফিক সোসাইটি,
৫.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি,
৬.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টুরিস্ট সোসাইটি,
৭.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আই টি সোসাইটি (DUITS),
৮.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য সংসদ,
৯.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স সোসাইটি,
১০.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা,
১১.বিজ্ঞান আন্দোলন মঞ্চ,
১২.বাংলাদেশ ওপেন সায়েন্স অর্গানাইজেশন,
১৩.বাঁধন,
১৪.সাংস্কৃতিক ইউনিয়ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা ছাত্র-ছাত্রী সমূহ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার পর অনেক গুনিজন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া করেছে। যারা পরবর্তী সমায় দেশের উন্নয়ননে ব্যপক ভুমিকা পালন করে।

সেরা ছাত্র-ছাত্রী সমূহ

১. শেখ মুজিবুর রহমান (বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জনক,বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি)
২. সৈয়দ নজরুল ইসলাম (বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি)
৩. তাজউদ্দীন আহমদ (বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী)
৪. জামাল উদ্দিন আহমেদ (বাংলাদেশের উপপ্রধানমন্ত্রীর)
৫. শেখ কামাল, মুক্তিযোদ্ধা (আবাহনী লিমিটেড এর প্রতিষ্ঠাতা)
৬. এম ইন্নাস আলী (পদার্থবিজ্ঞানী)
৭. এ কে এম সিদ্দিক (পদার্থবিজ্ঞানী, সদস্য, নোবেল কমিটি)
৮.গোলাম মোহাম্মদ ভূঁঞা, পদার্থবিজ্ঞানী, সদস্য, নোবেল কমিটি [৩০]
এম এ ওয়াজেদ মিয়া, পদার্থবিজ্ঞানী
৯. অধ্যাপক ড. অনুপম সেন (সমাজবিজ্ঞানী ও একুশে পদক বিজয়ী)
১০. খন্দকার সিদ্দিক-ই-রাব্বানী (পদার্থবিজ্ঞানী)
১১. ইমদাদুল হক খান (পদার্থবিজ্ঞানী)
১২. মোহাম্মদ আতাউল করিম (পদার্থবিজ্ঞানী, আইইইই ফেলো)
১৩. এ এম হারুন-অর-রশিদ (পদার্থবিজ্ঞানী)
১৪. আব্দুল মতিন চৌধুরী (পদার্থবিজ্ঞানী, সদস্য, নোবেল কমিটি)
১৫. মুহম্মদ মুনিরুল ইসলাম (পদার্থবিজ্ঞানী)
১৬. এম ইন্নাস আলী (পদার্থবিজ্ঞানী)
১৭. ড. শাহিদা রফিক, মনোনীত (পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার)
১৮. হাফিজ জি এ সিদ্দিকী (অর্থনীতিবিদ উপাচার্য, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়)
১৯. মুহম্মদ জাফর ইকবাল (লেখক)
২০. ফজলুর রহমান খান (পুরকৌশলী ও স্থপতি)
২১. কামরুল হায়দার (পদার্থবিজ্ঞানী)
২২. আবেদ চৌধুরী (জিনবিজ্ঞানী)
২৩. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব (ইসলামী চিন্তাবিদ)
২৪. মুহম্মদ মুনিরুল ইসলাম (পদার্থবিজ্ঞানী)
২৫. খন্দকার আব্দুল মুত্তালিব (পদার্থবিজ্ঞানী)
২৬. ড. এ এফ এম ইউসুফ হায়দার (পদার্থবিজ্ঞানী)
২৭. সুলতানা নুরুন নাহার (পদার্থবিজ্ঞানী)
২৮. আব্দুস সাত্তার খান (রসায়নবিজ্ঞানী)
২৯. আবুল হুসসাম (রসায়নবিজ্ঞানী)
৩০. আবেদ চৌধুরী (জিনবিজ্ঞানী)
৩১. শাহ মোহাম্মদ ফারুক
৩২. ফজলুল হালিম চৌধুরী (রসায়নবিজ্ঞানী)
৩৩. শাহ এ এম এস কিবরিয়া (অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ,বাংলাদেশের সাবেক অর্থমন্ত্রী)
৩৪. শাহাবুদ্দিন আহমেদ (বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি)
৩৫. জাহানারা ইমাম (লেখিকা, কথাসাহিত্যিক এবং একাত্তরের ঘাতক দালাল বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী)
৩৫.আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (কথাসাহিত্যিক)
৩৬. বুদ্ধদেব বসু (বাঙালি কবি, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, কথাসাহিত্যিক)
৩৭. হুমায়ূন আহমেদ (কথাসাহিত্যিক)
৩৮. হুমায়ূন আজাদ কথাসাহিত্যিক
৩৯. হুমায়ুন কাদির (কথাসাহিত্যিক)
৪০. রফিক কায়সার (গবেষক,প্রাবন্ধিক)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত স্মৃতিস্তম্ভ ও ভাস্কর্য সমূহ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার পর অনেক স্মৃতিস্তম্ভ ও ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছে।স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতি ও শহীদদের স্মরণে নির্মিত অনেকগুলি ভাস্কর্য রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের।ভাস্কর্যগুলোর আশেপাশে প্রতিদিন বিচরণ করছে শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্যের সাথেই জড়িয়ে আছে ইতিহাস, জড়িয়ে আছে ঐতিহ্য।

স্মৃতিস্তম্ভ ও ভাস্কর্য সমূহ

# অপরাজেয় বাংলা
# সন্ত্রাস বিরোধী রাজু স্মারক ভাস্কর্য
# স্বোপার্জিত স্বাধীনতা
# দোয়েল চত্বর
# তিন নেতার মাজার
# ঢাকা গেইট
# স্বাধীনতা সংগ্রাম
# স্বামী বিবেকানন্দ ভাস্কর্য
# শহীদ মিনার
# মধুদার ভাস্কর্য
# সপ্তশহীদ স্মৃতিস্তম্ভ
# বৌদ্ধ ভাস্কর্য
# শহীদ ডা. মিলন ভাস্কর্য
# শান্তির পায়রা ভাস্কর্য

বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে অনুষদে ও বিভাগ সমূহ

বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ১৩টি অনুষদে ৮৪টি বিভাগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ও এর অন্তর্গত বিভাগগুলো হল:

কলা অনুষদ বিভাগ সমূহ

১.বাংলা
২.ইংরেজি
৩.ফারসি ভাষা ও সাহিত্য
৪.উর্দু
৫.দর্শন
৬.ইতিহাস
৭.আরবি
৮.ইসলামী শিক্ষা
৯.ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
১০.পালি ও বৌদ্ধ শিক্ষা বিভাগ এবং সংস্কৃত বিভাগ
১১.তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা
১২.ভাষাবিজ্ঞান
১৩.নাট্যকলা ও সঙ্গীত
১৪.বিশ্ব ধর্মতত্ত্ব

বিজ্ঞান অনুষদ বিভাগ সমূহ

১.পদার্থ বিজ্ঞান
২.গণিত
৩.রসায়ন
৪.পরিসংখ্যান
৫.জৈবরাসায়নিক পদার্থবিদ্যা এবং প্রযুক্তি
৬.তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান
৭.ফলিত গণিত

আইন অনুষদ বিভাগ সমূহ

১.আইন

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ বিভাগ সমূহ

২.রাষ্ট্রবিজ্ঞান
৩.আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
৪.সমাজবিজ্ঞান
৫.লোক প্রশাসন
৬.গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা
৭.নৃবিজ্ঞান
৮.জনসংখ্যা বিজ্ঞান
৯.শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন
১০.নারী শিক্ষা
১১.উন্নয়ন শিক্ষা
১২.টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও আলোকচিত্র
১৩.অপরাধবিজ্ঞান

ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ বিভাগ সমূহ

১.ম্যানেজমেন্ট
২.একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস
৩.মার্কেটিং
৪.ফাইন্যান্স
৫.ব্যাংকিং এন্ড ইনস্যুরেন্স
৬.ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস
৭.ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস
৮.টুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট
৯.অর্গানাইজেশন স্ট্র‍্যাটেজি এন্ড লিডারশিপ

জীববিজ্ঞান অনুষদ বিভাগ সমূহ

১.মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ
২.উদ্ভিদ বিজ্ঞান
৩.প্রাণিবিদ্যা
৪.প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান
৫.মনোবিজ্ঞান
৬.অণুজীব বিজ্ঞান
৭.মৎস্য বিজ্ঞান
৮.চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান
৯.জিন প্রকৌশল ও জৈব প্রযুক্তি
১০.এডুকেশনাল সাইকোলজি

ফার্মেসি অনুষদ বিভাগ সমূহ

১.ফার্মাসিউটিকাল রসায়ন
২.ক্লিনিকাল ফার্মেসি এন্ড ফার্মাকোলজি
৩.ফার্মাসিউটিক্যাল প্রযুক্তি

প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ বিভাগ সমূহ

১.তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল
২.ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল
৩.কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল
৪.পারমাণবিক প্রকৌশল
৫.রোবোটিক্স ও মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং

বিশ্ব ও পরিবেশ বিজ্ঞান অনুষদ বিভাগ সমূহ

১.ভূগোল ও পরিবেশ
২.ভূতত্ত্ব
৩.সমুদ্রবিজ্ঞান
৪.দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপন’
৫.আবহাওয়া বিজ্ঞান

চারুকলা অনুষদ

অন্যান্য অনুষদ

Leave a Reply